আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে ইতোমধ্যেই বিদ্যমান এমন সেন্সরগুলো ব্যবহার করেই এ কাজ করতে পারবে অ্যাপটি, জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস।
অ্যাক্সেলোমিটার, জিপিএস, কম্পাস এবং ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রাংশই আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে থাকে। সুতরাং কোনো স্মার্টফোন ড্রোন বা ঘুড়িতে সংযুক্ত করে এই অ্যাপের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। অ্যাপটি ডেটা সংগ্রহ করতে পারে এবং পরিচয় গোপন রেখে স্মার্টফোনটি ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এ কারণে 'লাইভ কোড' প্রযুক্তির মাধ্যমে একবার আকাশে উড়বার পরেও ব্যবহারকারী এই অ্যাপের মাধ্যমে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ছবি তুলতে পারবে।
ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার-এর রিমোট-সেন্সিং বিজ্ঞানী ডক্টর কারেন অ্যান্ডারসন বলেন, "বর্তমানে বিশ্বে মানুষের তুলনায় স্মার্টফোনের সংখ্যা বেশি। এই বিপুল সংখ্যক স্মার্টফোনের সেন্সরগুলো ব্যবহার হয় কেবল ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। অথচ ফোনের সেন্সরগুলো ব্যবহার করে ম্যাপিং এর ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য আনা সম্ভব।"
ফোএএম কারনোউ-এর পরিচালক এবং অ্যাপটির প্রোগ্রামার ডেভ গ্রিফিথস বলেন, "ওপেনসোর্স বা বিনামূল্য হওয়ায় বিশ্বের যে কেউই একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের মাধ্যমে অ্যাপটির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। অর্থাৎ কেউ চাইলে তাদের ড্রোন বা ঘুড়ির সঙ্গে নতুন কোনো সেন্সর প্রযুক্তি যুক্ত করতে পারবে।
অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে গুগল প্লে-স্টোর থেকে। সোর্সকোড পাওয়া যাবে গিটহাব-এ।
No comments:
Post a Comment