পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানের পথ অতিক্রম করবে বুধ গ্রহ আজ
সোমবার। ফলে সূর্যের গায়ে তৈরি হবে কালো রঙের ছোট্ট বিন্দু। বিশ্বের
অন্য দেশের মতো এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হবে বাংলাদেশও।
যুক্তরাজ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি (আরএএস) জানায়, সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ প্রতি ৮৮ দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। আর প্রতি ১১৬ দিন অন্তর পৃথিবী ও সূর্যের মাঝ বরাবর বুধ গ্রহের অতিক্রমণ ঘটে। তবে সব সময় তা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। নিজ নিজ কক্ষপথে পৃথিবী ও বুধ একটি বিশেষ অবস্থানে (একই সরলরেখা) পৌঁছালেই সূর্যের গায়ে বুধের ছায়া পড়ে। সেটা কালো বিন্দুর মতো দৃশ্যমান হয়। ঘটনাটি প্রতি শতাব্দীতে ১৩ বার ঘটে। সর্বশেষ ঘটেছিল ২০০৬ সালে। আবার তা দেখা যাবে ২০১৯ সালে।
বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বলেছে, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে আজ বুধের অতিক্রমণের ঘটনাটি বাংলাদেশের সব জায়গা থেকে দেখা যাবে। এটি শুরু হবে বিকেল পাঁচটায়, থাকবে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
যুক্তরাজ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি (আরএএস) জানায়, সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ প্রতি ৮৮ দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। আর প্রতি ১১৬ দিন অন্তর পৃথিবী ও সূর্যের মাঝ বরাবর বুধ গ্রহের অতিক্রমণ ঘটে। তবে সব সময় তা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। নিজ নিজ কক্ষপথে পৃথিবী ও বুধ একটি বিশেষ অবস্থানে (একই সরলরেখা) পৌঁছালেই সূর্যের গায়ে বুধের ছায়া পড়ে। সেটা কালো বিন্দুর মতো দৃশ্যমান হয়। ঘটনাটি প্রতি শতাব্দীতে ১৩ বার ঘটে। সর্বশেষ ঘটেছিল ২০০৬ সালে। আবার তা দেখা যাবে ২০১৯ সালে।
বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বলেছে, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে আজ বুধের অতিক্রমণের ঘটনাটি বাংলাদেশের সব জায়গা থেকে দেখা যাবে। এটি শুরু হবে বিকেল পাঁচটায়, থাকবে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
তবে এ সময় খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকানো বিপজ্জনক বলে
জানিয়েছেন আরএএসের প্রধান মার্টিন বার্স্টো। তিনি বলেন, সরাসরি সূর্যের
দিকে দৃষ্টি রাখলে স্থায়ীভাবে অন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দূরবীক্ষণযন্ত্র বা
টেলিস্কোপ ব্যবহার করে কোনো সাদা তলের ওপর সেই ছবির অভিক্ষেপ দেখা যেতে
পারে। এ ছাড়া শক্তিশালী ফিল্টারযুক্ত টেলিস্কোপ দিয়েও ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ
করা যাবে।
আরএএস জানায়, পশ্চিম ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চল, উত্তর ও
পশ্চিম আফ্রিকার পশ্চিমাংশ, উত্তর আমেরিকার পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ আমেরিকার
অধিকাংশ অঞ্চল থেকে বুধের ওই অতিক্রমণ দেখা যাবে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার
বাকি অংশ, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পূর্ব অংশ, আফ্রিকার বাকি অংশ এবং
এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ঘটনাটি আংশিক দৃশ্যমান হবে। তবে পূর্ব ও
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অস্ট্রেলেশিয়া অঞ্চলের বাসিন্দারা এটি দেখতে পারবে
না।
info
Prothom-alo
No comments:
Post a Comment